পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যবাসীর উন্নতি করার মরিয়া। এবার সেই পদক্ষেপে আরও নুতন সংযোজন ” জয় বাংলা” পেনশন যোজনা – Joy Bangla Pension

joy bangla pension
এবার ৬০ বছর বয়স হলে রাজ্যের সব বাসিন্দাই ‘জয় বাংলা’ প্রকল্পের অধীনে মাসিক এক হাজার টাকা করে পেতে পারেন। রাজ্যের ২০২০-২১ সালের বাজেটে এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে । কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন SC সম্প্রদায়ভুক্ত ৬০ বছরের বেশি ব্যক্তিদের জন্য “তপশিলি বন্ধু” ও ST সম্প্রদায়ভুক্ত ৬০ বছরের বেশি ব্যক্তিদের জন্য “জয় জহার “ প্রকল্প। এবার এই প্রকল্প গুলোও এই “জয় বাংলা” প্রকল্পের মধ্যেও চলে আসছে।
এছাড়াও আগে যে সমস্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রকল্পে যেমন বিধবা ভাতা বা যে সব মাসিক ভাতায় মহিলারা ৬০০, ৭০০ টাকা করে পেতেন, তাঁরা সবাই এবার এক হাজার টাকা করে পাবেন বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
অর্থাৎ সমস্ত সরকারি পেনশন প্রকল্প গুলোকে একটি ছাতার আওতায় আনা হচ্ছে, আর সেই প্রকল্প হলো জয় বাংলা।
জয় বাংলা কোন কোন প্রকল্প কে একত্রিত করা হয়েছে ?
তফশিলী বন্ধু (নতুন স্কিম)
জয় জোহার (নতুন স্কিম)
মানবিক
লোক প্রসার প্রকল্প
বার্ধক্য ও বিধবা পেনশন স্কিম (W&CD)
বার্ধক্য ও বিধবা পেনশন স্কিম (P&RD, UD&MA)
কৃষকদের বার্ধক্য পেনশন
শিল্পী ও তাঁতী দের বার্ধক্য পেনশন
আগামী ১ এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন উপভোক্তারা। পেনশনের জন্য অফলাইনের সাথে সাথে অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ থাকছে ।
পেনশনের টাকা সরাসরি চলে যাবে প্রাপকের একাউন্ট এ।
জয় বাংলা (Jai Bangla) পেনশন প্রকল্পের আবেদন করার আগে কোন কোন ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে রাখতে হবে।
পরিচয়ের প্রমান (Identity Proof)
ঠিকানার প্রমান (Address Proof)
বয়সের প্রমান (Age Proof)
ব্যাঙ্ক পাস্ বই (Bank Passbook)
জাতিগত শংসাপত্র (Caste Certificate)
জয় বাংলা প্রকল্পের আবেদন পত্র এবং বিভিন্ন সরকারি নির্দেশিকা।
সরকারি নির্দেশিকা Download

আগে সব মিলিয়ে রাজ্যের মোট ২০ লক্ষ মানুষ পেনশন পেতেন। ‘জয় বাংলা’ প্রকল্পে সব মিলিয়ে ৬০ লক্ষ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্পে সরকারের খরচ হচ্ছে ১,২০০ কোটি টাকা।

আমাদের Joy Bangla Pension বিষয়ক পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন , কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। In