2020

রাজ্য বাসীদের সুবিধার্থে আপৎকালীন পরিষেবা ও অনলাইন ডেলিভারির জন্য একটি ই - পাস ব্যবস্থার সূচনা করলেন আজ কলকাতা পুলিশ এবং পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ । এই ই - পাসের সুবিধা পেতে আপনাকে নিচের লিঙ্কে গিয়ে কেবল নিজের সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলি পূরণ করতে হবে । তারপর ই - মেইল মারফত আপনার কাছে ই - পাসটি পৌঁছে যাবে । এই ই - পাসটি আপনি নিজের গাড়ির স্ক্রিনে আটকেও ব্যবহার করতে পারবেন । 
https://youtu.be/psQ16vQ3thA

 
লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত গরিবের জন্য ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা কেন্দ্রের
করোনা চিকিৎসায় যুক্ত চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রত্যেককে ৫০ লক্ষের বিমা
করোনার জেরে ১ লক্ষ ৭০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। তিনি বলেন, দরিদ্র ও দিনমজুরদের লক্ষ্য রেখে প্যাকেজ। লকডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত দরিদ্রদের কাছে সাহায্য পৌঁছনো জরুরি। পাশাপাশি, একগুচ্ছ প্রকল্প ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী। এর মধ্যে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য । এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক কেন্দ্রের ঘোষণা----
1.করোনা চিকিৎসায় যুক্ত চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রত্যেকের জন্য ৫০ লক্ষ টাকার বিমা।
2.৮০ কোটি গরিবের জন্য প্রধানমন্ত্রী অন্ন যোজনা। যাতে কোনও গরিব অভুক্ত না থাকেন।
 3.এই আওতায় আগামী ৩ মাসের জন্য বাড়তি ৫ কেজি করে চাল-আটা ও ১ কেজি করে ডাল
4. ৮ কোটি ৬৯ লক্ষ কৃষকের জন্য এপ্রিলের শুরুতে ২ হাজার টাকা।
5.১০০ দিনের কাজে মজুরি ১৮২ টাকা বাড়িয়ে করা হল ২০২ টাকা। এর ফলে উপকৃত হবেন ৫ কোটি শ্রমিক
 6.৩ কোটি প্রবীণ বিধবা ও বিশেষভাবে সক্ষমদের জন্য অর্থ সাহায্য। এককালীন দু কিস্তিতে দেওয়া হবে ১ হাজার টাকা।
 7.মহিলাদের জনধন অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে ৩ মাসের জন্য মাসিক ৫০০ টাকা।
8.গ্রাহকদের প্রথম ৩ মাসে বিনামূল্যে সিলিন্ডার।
 9.১৫ হাজারের কম বেতনভুক্ত কর্মচারিদের পিএফ আগামী ৩ মাস জমা দেবে কেন্দ্র।
10.১০০-র কম কর্মচারি আছে, এমন সংস্থার কর্মচারিদের পিএফ দেবে কেন্দ্র। এর ফলে উপকৃত হবেন ৮০ লক্ষ শ্রমিক।
11.ওয়েলফেয়ার ফান্ডে ৩১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ।


পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী প্রায় প্রতিনিয়ত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যবাসীর উন্নতি করার মরিয়া। এবার সেই পদক্ষেপে আরও নুতন সংযোজন ” জয় বাংলা” পেনশন যোজনা – Joy Bangla Pension

joy bangla pension
এবার ৬০ বছর বয়স হলে রাজ্যের সব বাসিন্দাই ‘জয় বাংলা’ প্রকল্পের অধীনে মাসিক এক হাজার টাকা করে পেতে পারেন। রাজ্যের ২০২০-২১ সালের বাজেটে এই প্রকল্পে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে । কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন SC সম্প্রদায়ভুক্ত ৬০ বছরের বেশি ব্যক্তিদের জন্য “তপশিলি বন্ধু” ও ST সম্প্রদায়ভুক্ত ৬০ বছরের বেশি ব্যক্তিদের জন্য “জয় জহার “ প্রকল্প। এবার এই প্রকল্প গুলোও এই “জয় বাংলা” প্রকল্পের মধ্যেও চলে আসছে।
এছাড়াও আগে যে সমস্ত ব্যক্তিরা বিভিন্ন প্রকল্পে যেমন বিধবা ভাতা বা যে সব মাসিক ভাতায় মহিলারা ৬০০, ৭০০ টাকা করে পেতেন, তাঁরা সবাই এবার এক হাজার টাকা করে পাবেন বলে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
অর্থাৎ সমস্ত সরকারি পেনশন প্রকল্প গুলোকে একটি ছাতার আওতায় আনা হচ্ছে, আর সেই প্রকল্প হলো জয় বাংলা।
জয় বাংলা কোন কোন প্রকল্প কে একত্রিত করা হয়েছে ?
তফশিলী বন্ধু (নতুন স্কিম)
জয় জোহার (নতুন স্কিম)
মানবিক
লোক প্রসার প্রকল্প
বার্ধক্য ও বিধবা পেনশন স্কিম (W&CD)
বার্ধক্য ও বিধবা পেনশন স্কিম (P&RD, UD&MA)
কৃষকদের বার্ধক্য পেনশন
শিল্পী ও তাঁতী দের বার্ধক্য পেনশন
আগামী ১ এপ্রিল থেকেই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন উপভোক্তারা। পেনশনের জন্য অফলাইনের সাথে সাথে অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করার সুযোগ থাকছে ।
পেনশনের টাকা সরাসরি চলে যাবে প্রাপকের একাউন্ট এ।
জয় বাংলা (Jai Bangla) পেনশন প্রকল্পের আবেদন করার আগে কোন কোন ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে রাখতে হবে।
পরিচয়ের প্রমান (Identity Proof)
ঠিকানার প্রমান (Address Proof)
বয়সের প্রমান (Age Proof)
ব্যাঙ্ক পাস্ বই (Bank Passbook)
জাতিগত শংসাপত্র (Caste Certificate)
জয় বাংলা প্রকল্পের আবেদন পত্র এবং বিভিন্ন সরকারি নির্দেশিকা।
সরকারি নির্দেশিকা Download

আগে সব মিলিয়ে রাজ্যের মোট ২০ লক্ষ মানুষ পেনশন পেতেন। ‘জয় বাংলা’ প্রকল্পে সব মিলিয়ে ৬০ লক্ষ মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই প্রকল্পে সরকারের খরচ হচ্ছে ১,২০০ কোটি টাকা।

আমাদের Joy Bangla Pension বিষয়ক পোস্ট টি ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করুন , কিছু জানার থাকলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। In

নবান্ন স্কলারশিপে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
1. আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, তবেই সে নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।

2. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গের কোন বোর্ড, কাউন্সিল অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে, পশ্চিমবঙ্গের কোন স্কুল, কলেজ অথবা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে তারাই স্কলারশিপের জন্য যোগ্য।

3. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিকে 65% নাম্বার নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক কোর্সে ভর্তি হয়েছে অথবা উচ্চ মাধ্যমিকে 60% নাম্বার নিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছে অথবা কলেজে 55% নাম্বার নিয়ে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে, তারাই স্কলারশিপটির জন্য আবেদন করতে পারবে।

4. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম মিনস্ স্কলারশিপটির জন্য যোগ্য তারা, নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে না।

5. আবেদনকারীর পরিবারের বাৎসরিক আয় 60,000 টাকার কম হতে হবে তবেই সে পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।6. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী আগে থেকেই অন্য কোনো সরকারি অথবা বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে স্কলারশিপ পাচ্ছে, তারা এই স্কলারশিপের জন্য যোগ্য নয়।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন স্কলারশিপ আবেদন পদ্ধতি
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের আবেদন পদ্ধতি অফলাইন। এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন দুই ভাবে করা যায় – সাদা কাগজে নিজের হাতে লেখা একটি আবেদন পত্র তৈরি করে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যেতে পারে অথবা আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে স্কলারশিপের আবেদন পত্রটি ডাউনলোড করে নিয়েও আবেদন করা যেতে পারে। নবান্ন স্কলারশিপ আবেদন এর জন্য নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরন করো।

1. সবার প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপ এর আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নাও সাদা কাগজের নিজের হাতে একটি ফর্ম তৈরি করে নিতে হবে।

2. এরপর ওই আবেদনপত্রটির সাথে তোমাদের এলাকার MLA-এর সুপারিশ পত্র (MLA Recommendation Form) ও তোমার নিজের ও স্ব-ঘোষনা পত্র (Self-Declaration Form) যোগ করে দাও।
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্য মন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপ আবেদন পত্র ডাউনলোড। নবান্ন স্কলারশিপ এর আবেদন পদ্ধতি। উত্তরকন্যা স্কলারশিপের আবেদন পত্র ডাউনলোড। নবান্ন স্কলারশিপ এর জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা। পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন স্কলারশিপ এর প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি। নবান্ন স্কলারশিপের আবেদনের শেষ তারিখ।

WB Chief Minister Nabanna Scholarship নবান্ন স্কলারশিপ

 
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল প্রতিবছর ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কলারশীপ প্রদান করে থাকে। এই বছর যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক অথবা কলেজের কোন পরীক্ষায় পাস করে পরবর্তী ক্লাসে ভর্তি হয়েছে, তারা এই মুখ্যমন্ত্রীর নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারে। পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী তহবিল স্কলারশিপ বা নবান্ন স্কলারশিপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে আলোচনা করা হলো।

যোগ্য ছাত্রছাত্রীরা নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারে। এই নবান্ন স্কলারশিপে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিবছর 10,000 থেকে 20,000 টাকা প্রদান করা হয়, যা নির্ভর করে তাদের বর্তমান কোর্সের খরচের উপর। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্য এই স্কলারশিপটির নাম উত্তরকন্যা স্কলারশিপ।
 
আমাদের এই ওয়েব সাইট থেকে তুমি পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের আবেদন পত্রটি ডাউনলোড করে নিতে পারো। নীচে এই স্কলারশিপটির আবেদন পদ্ধতি ও বাছাই প্রক্রিয়া আলোচনা করা হলো
নবান্ন স্কলারশিপে আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতা
1. আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের একজন স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, তবেই সে নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।

2. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী কেবলমাত্র পশ্চিমবঙ্গের কোন বোর্ড, কাউন্সিল অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে, পশ্চিমবঙ্গের কোন স্কুল, কলেজ অথবা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে তারাই স্কলারশিপের জন্য যোগ্য।

3. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী মাধ্যমিকে 65% নাম্বার নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক কোর্সে ভর্তি হয়েছে অথবা উচ্চ মাধ্যমিকে 60% নাম্বার নিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছে অথবা কলেজে 55% নাম্বার নিয়ে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে, তারাই স্কলারশিপটির জন্য আবেদন করতে পারবে।

4. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট-কাম মিনস্ স্কলারশিপটির জন্য যোগ্য তারা, নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে না।

5. আবেদনকারীর পরিবারের বাৎসরিক আয় 60,000 টাকার কম হতে হবে তবেই সে পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবে।

6. যে সমস্ত ছাত্রছাত্রী আগে থেকেই অন্য কোনো সরকারি অথবা বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে স্কলারশিপ পাচ্ছে, তারা এই স্কলারশিপের জন্য যোগ্য নয়।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী নবান্ন স্কলারশিপ আবেদন পদ্ধতি
পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের আবেদন পদ্ধতি অফলাইন। এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন দুই ভাবে করা যায় – সাদা কাগজে নিজের হাতে লেখা একটি আবেদন পত্র তৈরি করে স্কলারশিপের জন্য আবেদন করা যেতে পারে অথবা আমাদের এই ওয়েবসাইট থেকে স্কলারশিপের আবেদন পত্রটি ডাউনলোড করে নিয়েও আবেদন করা যেতে পারে। নবান্ন স্কলারশিপ আবেদন এর জন্য নিচের পদ্ধতি গুলো অনুসরন করো।

1. সবার প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপ এর আবেদন ফরম ডাউনলোড করে নাও সাদা কাগজের নিজের হাতে একটি ফর্ম তৈরি করে নিতে হবে।

2. এরপর ওই আবেদনপত্রটির সাথে তোমাদের এলাকার MLA-এর সুপারিশ পত্র (MLA Recommendation Form) ও তোমার নিজের ও স্ব-ঘোষনা পত্র (Self-Declaration Form) যোগ করে দাও।

3. এছাড়াও আবেদনপত্রের সঙ্গে নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলি যোগ করে দাও –

শেষ পরীক্ষার মার্কশীট
বর্তমান কোর্সে ভর্তির রশিদ
কোন A-ক্যাটেগরির গেজেটেড অফিসারের কাছ থেকে নেওয়া বাৎসরিক আয়ের সার্টিফিকেট
এন্ট্রান্স পরীক্ষার রেঙ্ক কার্ড।
4. আবেদনপত্রটি সঠিকভাবে পূরণ করে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুলি এর সাথে দেয়ার পরে, ফর্মটিকে নিম্নলিখিত যেকোনো একটি অফিসে গিয়ে জমা দিয়ে আসতে হবে।

দক্ষিণবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
Nabanna, 14th Floor, 325 Sarat Chatterjee Road, Shibpur, Howrah- 711102

উত্তরবঙ্গের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য
UTTARKNYA, P.O.Satellite Township, Fulbari, Jalpaiguri-734015

কেবলমাত্র আবেদনকারী নিজে অথবা অভিভাবক এই ফর্ম জমা দিতে পারেন। ছাত্র-ছাত্রীরা এই পোষ্টের মাধ্যমেও পাঠাতে পারে কিন্তু সেক্ষেত্রে স্কলারশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যাবে।


 
5. নবান্ন অথবা উত্তরকণ্যা-তে আবেদনপত্রটি জমা দেয়ার পর আবেদনকারীকে প্রমান স্বরুপ একটি কম্পিউটার রিসিপ্ট কাগজ দেয়া হবে যে তারা পরবর্তী ক্ষেত্রে এই স্কলারশিপের আবেদন প্রক্রিয়া জানার জন্য ব্যবহার করতে পারে।

6. পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপে আবেদনের নির্দিষ্ট কোন শেষ তারিখ নেই। ছাত্রছাত্রীরা তাদের বর্তমান কোর্সের যেকোনো সময় এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারে।

পশ্চিমবঙ্গ মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল নবান্ন স্কলারশিপের আবেদন পত্র ডাউনলোড
নবান্ন স্কলারশিপের প্রার্থী বাছাই পদ্ধতি

মেধা এবং পারিবারিক বাৎসরিক আয়ের উপর ভিত্তি করে এই নবান্ন স্কলারশিপ এর জন্য প্রার্থী বাছাই করা হয়। ছাত্র-ছাত্রী আবেদনপত্র জমা দেয়ার পর কর্তৃপক্ষ সে আবেদনপত্র ভালো করে খুঁটিয়ে দেখে এবং তারপর নির্বাচিত ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়িতে একটি করে চিঠি পাঠিয়ে তাদেরকে জানানো হয়।

ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাপ্ত চিঠিতে একটি নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা থাকে সেই তারিখের মধ্যে নবান্নে গিয়ে ছাত্রছাত্রীরা তাদের স্কলারশিপের চেক সংগ্রহ করতে পারে।

নবান্ন স্কলারশিপে প্রাপ্ত টাকার অংক বিভিন্ন কোর্সের জন্য বিভিন্ন রকম। নিজের আবেদন পত্রের স্ট্যাটাস জানার জন্য ছাত্রছাত্রীরা রিসিপ্ট কপি নিয়ে নবান্ন অথবা উত্তরকন্যা তে যোগাযোগ করতে পারে।

ফরম ফিলাপের লাস্ট তারিখ 30-03-2020। যেহেতু দেশে সম্পূর্ণ লকডাউন চলছে সেই কারণে সমস্ত সাইবার ক্যাফে বন্ধ রয়েছে যাতে আপনাদের কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয় সেই কারণে আমাদের পক্ষ থেকে একটি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। যাতে অনলাইনে আমাদের পেমেন্ট এর মাধ্যমে আমরা এখান থেকে আপনাদের অনলাইন exam  এর ফর্ম ফিলাপ করিয়ে দেবো। যদি আপনি আমাদের এই পরিসেবা সেবা নিতে চান তাহলে 8101403855 আমাদের WhatsApp number এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন।

Gallery



MKRdezign

W3.CSS

Slideshow Indicators

An example of using buttons to indicate how many slides there are in the slideshow, and which slide the user is currently viewing.

❮
❯

Contact Form

Name

Email *

Message *

Rajat Ghosh. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget